Skip to main content
ইপসা জাতিসংঘের ”ইকোনোমিক এন্ড সোস্যাল কাউন্সিল” এর কন্সালটেটিভ স্টাটাস প্রাপ্ত একটি বাংলাদেশী সংগঠন

ইউনিক ইন্টারভেনশন ফর কোয়ালিটি প্রাইমারী এডুকেশন

সময়কালঃ জানুয়ারী’০১,২০১২ ডিসেম্বর’৩১-২০১৭

কর্ম এলাকাঃ  রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা। (৫টি উপজেলা)

রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলায় ০১টি উপজেলা -বাঘাইছড়ি উপজেলা। (বাঘাইছড়ি এরিয়া)

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় ০৪টি উপজেলা– খাগড়াছড়ি সদর ও মাটিরাঙ্গা উপজেলা (খাগড়াছড়ি এরিয়া দীঘিনালা ও পানছড়ি উপজেলা (দীঘিনালা এরিয়া)

প্রকল্পের লক্ষ্য উদ্দেশ্যঃ

  • পিছিয়ে পড়া সুবিধাবঞ্চিত  শিশুকে প্রাথমিক ও প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা প্রদান।
  • আনুষ্ঠানিক ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা ও পারস্পারিক শিখন প্রক্রিয়ার উন্নয়ন।
  • কর্ম এলাকায় কার্যকর শিখন ও চর্চাসমূহের সংরক্ষন ও প্রচার।

লক্ষ্যিত জনগোষ্ঠীঃ

  • ৬-১৪ বছর বয়সি ঝরে পড়া ও পিছিয়ে পড়া শিশু।
  • ৫+ বছর বয়সি প্রাক- প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাওয়ার উপযোগী শিশু।

প্রকল্পের মূল কার্যক্রম:

  • ১৩৫ টি শিশু শিখন কেন্দ্র (সি এল সি)গড়ে তোলা।
  • কমিউনিটি ভিত্তিক  শিশুকে শিশু শিখন কেন্দ্রে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা প্রদান।
  • মাল্টিগ্রেড শিখন শিক্ষন পদ্বতির প্রতিস্থাপন।
  • কারিগরি সহযোগিতার জন্য  শিক্ষা সহায়ক কেন্দ্র গড়ে তোলা।
  • ক্যাম্প প্রোগ্রামের আওতায় ৩০টি ক্যাম্পের মাধ্যমে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীকে বিষয়ভিত্তিক নিরাময়মূলক শিখন সহায়তা প্রদান।
  • প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল উন্নয়ন কর্মসূচি।
  • আনুষ্ঠানিক ও উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক শিক্ষার মধ্যে সমন্বয় সাধন।
  • মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষার জন্য স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিদের সক্রিয়করণ।
  • স্থানীয় পর্যায়ে চাহিদাভিত্তিক ও উপযোগী শিখন উপকরণ উন্নয়ন ও ব্যবহার।
  • শিক্ষার্থীর বাবা-মা/ অভিভাবকদের সেবা প্রদানকারী প্রতিস্থানের সাথে সংযোগ ঘটিয়ে দেয়া।
  • সংশ্লিষ্ট এলাকায় শিশুদের নিরবচ্ছিন্ন শিক্ষার জন্য দূর্যোগ প্রস্ত্ততিমূলক সচেতনতা কার্যক্রম।
  • শিশুদের মাতৃভাষার মাধ্যমে প্রারম্ভিক শিক্ষার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ।
  • পারস্পরিক শিখনের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা প্রদানকারী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময়।

প্রধান প্রধান কার্যক্রমঃ শিশু শিখন কেন্দ্র তৈরী করা,কমিউনিটি ভিত্তিক সিএমসি,এলআরসি গঠন করে মাল্টিগ্রেড পদ্ধতিতে শিক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।

মূল অর্জন সমুহঃ সকল শিশু শিখন কেন্দ্র চালু করা হয় এবং সকল সিএমসি কমিটি এবং এলআরসি গঠন করা হয়।