Skip to main content
ইপসা জাতিসংঘের ”ইকোনোমিক এন্ড সোস্যাল কাউন্সিল” এর কন্সালটেটিভ স্টাটাস প্রাপ্ত একটি বাংলাদেশী সংগঠন

মানব পাচার প্রতিরোধ কর্মসূচী

প্রকল্পের নাম: Prevention and Protection of Victims of Human Trafficking in Bangladesh

বাস্তবায়নকারী সংস্থা: আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা ( আইওএম)

বাস্তবায়ন সহযোগী: ইয়ং পাওয়ার ইন স্যোসাল এ্যাকশন (ইপসা)

লক্ষ্য : বাংলাদেশে মানব পাচার প্রতিরোধে পরিস্থিতি উন্নত করা

এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য হচ্ছে: প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো সহযোগিতা ও অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে সক্রিয় অংশগ্রহনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে মেয়ে, শিশু ও মহিলা পাচারকে চিহ্নিতকরণ ও রহিতকরণ।

কর্মএলাকা: বর্তমানে এই প্রকল্পের আওতায় ইপসা বাংলাদেশের তিনটি জেলায় কাজ করছে।

যথা: ফেণী, কুমিল্লা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা।

১. ফেনী ঃ ফেণী সদর ও ছাগল নাইয়া উপজেলা ।
২. কুমিল্লা ঃ কুমিল্লা সদর ও সদর দক্ষিন উপজেলা এবং
৩. ব্রাহ্মণবাড়িয়া ঃ ্ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ও আখাউড়া উপজেলা।

প্রকল্পের মেয়াদকাল : 

২০০৭ এর আগস্ট থেকে ২০১০ এর অক্টেবর পর্যন্ত

লক্ষ্যিত জনগোষ্ঠী: 

নির্দিষ্ট গ্রুপ : ২ টি, যা হচ্ছে —-

১/ প্রাথমিক গ্রুপ

পাচার হওয়া অথবা পাচারের ঝুকির মধ্যে আছে এমন নারী, শিশু ও মেয়েসহ সমাজের সকল স্তরের শ্রেণীপেশার মানুষ

২/ মাধ্যমিক গ্রুপ

বিচারক, আইন প্রযোগকারি সংস্থা, আইনবিদ, সরকারি কর্মকর্তা, সমাজের লোকজন,
শিক্ষক, ধর্মীয় নেতা, স্থানীয় সরকার, সুশীল সমাজ ও এনজিও কর্মকর্তা

প্রত্যাশিত ফল: 

১. মেয়ে, নারী ও শিশু পাচারের হার কমে আসবে।
২. পাচারের বিরুদ্ধে সর্বস্তরের জনগনের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে।
৩. পাচার প্রতিরোধে কেন্দ্র থেকে স্থানীয় প্রশাসন পর্যন্ত একটি সমন্বিত প্রাতিষ্ঠানিক কর্মপরিকল্পনা দাড়াবে।
৪. সরকারী ও এনজিও প্রতিনিধিদের বিভিন্ন পর্যায়ে দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে

প্রধান কার্যক্রম : 

কার্যক্রম কার্যক্রমের স্ট্যাটাস
  • সরকারি – বেসরকারি কর্মকর্তাদের ওয়ার্কসপ
  • পাচার প্রতিরোধ কমিটি শক্তিশালী করা
  • বাজার মিঠিং /হাট সভা
  • স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে সভা
  • উঠান বৈঠক
  • কমিউনিটিভিক্তি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
  • বিতরণ বিল বোর্ড, পোস্টার , লিফলেট বিতরণ
  • নির্বাহী অফিসারদের সাথে সভা করা
  • আয়বর্ধক প্রশিক্ষন কর্মসূচি
  • শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ
  • আমরা প্রায় ১০০০০০ ( এক লক্ষ ) মানুষকে পাচার সম্পর্কে সচেতন করতে পেরেছি
  • আমরা পাচার হয়ে যাওয়া মেয়েদের উদ্ধার কাজে সহযোগিতা প্রদান
  • আমরা সরকারি – এনজিও কর্মকর্তাদের মাঝে সম্পর্ক উন্নয়ন করেছি
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পাচার প্রতিরোধ কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত

প্রধান কার্যক্রম : 

কার্যক্রম কার্যক্রমের স্ট্যাটাস
  • সরকারি – বেসরকারি কর্মকর্তাদের ওয়ার্কসপ
  • পাচার প্রতিরোধ কমিটি শক্তিশালী করা
  • বাজার মিঠিং /হাট সভা
  • স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে সভা
  • উঠান বৈঠক
  • কমিউনিটিভিক্তি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
  • বিতরণ বিল বোর্ড, পোস্টার , লিফলেট বিতরণ
  • নির্বাহী অফিসারদের সাথে সভা করা
  • আয়বর্ধক প্রশিক্ষন কর্মসূচি
  • শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ
 

  • আমরা প্রায় ১০০০০০ ( এক লক্ষ ) মানুষকে পাচার সম্পর্কে সচেতন করতে পেরেছি
  • আমরা পাচার হয়ে যাওয়া মেয়েদের উদ্ধার কাজে সহযোগিতা প্রদান
  • আমরা সরকারি – এনজিও কর্মকর্তাদের মাঝে সম্পর্ক উন্নয়ন করেছি
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পাচার প্রতিরোধ কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত