প্রমোটিং স্মোক ফ্রি লোকাল গভর্নমেন্ট এন্ড পাবলিক প্লেস ইন বাংলাদেশ
সময়কালঃ ১৫ এপ্রিল ২০০৯ থেকে ১৪ এপ্রিল ২০১৭
কর্ম এলাকাঃ চট্টগ্রাম বিভাগের ১১টি জেলার ৯ টি পৌরসভা এবং ২ টি সিটি কর্পোরেশন
ক্রমিক নং | জেলা | উপজেলা/থানা |
০১ | চট্টগ্রাম | চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন |
০২ | কুমিলস্না | কুমিলস্না সিটি কর্পোরেশন |
০৩ | কক্সবাজার | কক্সবাজার পৌরসভা |
০৪ | ফেনী | ফেনী পৌরসভা |
০৫ | নোয়াখালী | নোয়াখালী পৌরসভা |
০৬ | লক্ষীপুর | লক্ষীপুর পৌরসভা |
০৭ | ব্রাহ্মনবাড়িয়া | বাহ্মনবাড়িয়া পৌরসভা |
০৮ | চাঁদপুর | চাঁদপুর পৌরসভা |
০৯ | বান্দরবন | বান্দরবন পৌরসভা |
১০ | খাগড়াছড়ি | খাগড়াছড়ি পৌরসভা |
১১ | রাঙ্গামাটি | রাঙ্গামাটি পৌরসভা |
প্রকল্পের লক্ষ্য উদ্দেশ্যঃ
- ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন ট্যোবাকো কন্ট্রোল (এফসিটিসি) চুক্তির ধূমপানমুক্ত বিষয়ক ধারার আলোকে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশোধনে এবং বিধিমালা তৈরীর প্রক্রিয়াতে অবদান রাখা।
- সংশিস্নষ্ট সরকারী কর্তৃপক্ষ এবং জাতীয় পর্যায়ের এসোসিয়েশন এর সহায়তায় স্থানীয় সরকারের ধূমপানমুক্ত গাইডলাইন এর প্রাতিষ্ঠানিক রূপ প্রদানের জন্য এ্যাডভোকেসি করা।
- ধূমপানমুক্ত গাইডলাইন বাসত্মবায়ন এর কার্যকর প্রতিরূপ স্থাপনের জন্য বিভিন্ন বেসরকারী সংস্থার দক্ষতা বৃদ্ধি করা।
- চট্টগ্রাম বিভাগের ধূমপানমুক্ত আন্দোলনের স্থায়ীত্বশীলতা নিশ্চিতকরণে ধূমপানমুক্ত জোট এর আরো দক্ষতা বৃদ্ধি করা।
লক্ষ্যিত জনগোষ্ঠীঃ স্থানীয় সরকার
সহযোগী : সুশীল সমাজ, মিডিয়া, এনজিও, স্থানীয় ব্যবসায়ী প্রতিনিধি, স্থানীয় সংগঠন সহ সর্বসত্মরের জনগন ।
প্রধান প্রধান কার্যক্রমঃ
- তামাক নিয়ন্ত্রন আইনে ধূমপান এলাকা না রাখার জন্য সরকারের উপর চাপ সৃষ্টির লক্ষ্যে নির্ধারিত সংসদ সদস্যদের সাথে লবিং করা।
- সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রন আইনের বিধিমালা তৈরীর প্রক্রিয়ায় জন্য খসড়া সুপারিশমালা তৈরী করা।
- বিধিমালার খসড়া সুপারিশমালার চুড়ামত্ম করার লক্ষ্যে সংশিস্নষ্ট বিআই গ্র্যান্টিদের সাথে কর্মশালার আয়োজন করা।
- খসড়া সুপারিশমালা সমূহ স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রনালয়/এনটিসিসিকে অবহিত করার জন্য সভার আয়োজন করা।
- সারা দেশে ধূমপানমুক্ত গাউডলাইন প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ করার ক্ষেত্রে মিউনিসিপালিটি এসোসিয়েসন অব বাংলাদেশ (মেব) এর ভূমিকা রাখতে উদ্বুদ্ধকরণ কর্মশালার আয়োজন করা ।
- সারাদেশে ধূমপানমুক্ত গাউড লাইন এর প্রতিরূপ তৈরীর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরার লক্ষ্যে যৌথভাবে মিউনিসিপালিটি এসোসিয়েসন অব বাংলাদেশ (এম এ বি) এবং মিডিয়ার সাথে গোলটেবিল আলোচনা আয়োজন করা।
- ধূমপানমুক্ত গাউডলাইন বাসত্মবায়ন অনুসরনে এর প্রতিরূপ তৈরীর জন্য প্রয়োজনীয় পলিসি তৈরী ও অনুমোদনের জন্য স্থানীয় সরকার,পলস্নী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের সাথে এডভোকেসী মিটিং করা।
- বিআই গ্র্যান্টি এবং অন্যান্য বেসরকারী সংস্থাসমূহকে ধূমপানমুক্ত গাইডলাইন কার্যকর বাসত্মবায়ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা।
- তামাক নিয়ন্ত্রন আইনের সংশোধনীর আলোকে ধূমপানমুক্ত গাইডলাইন বাসত্মবায়নের জন্য ধূমপানমুক্ত জোটকে নিয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা।
- ধূমপানমুক্ত গাইডলাইন কার্যকর বাসত্মায়নের জন্য ধূমপানমুক্তকরণ বিষয়ক জোট এর মাধ্যমে স্থানীয় সরকারের সংশিস্নষ্ট বিভাগের সাথে লবিং করা।
- স্থানীয় সরকার কর্তৃক ধূমপানমুক্ত গাইডলাইন বাসত্মবায়নের জন্য বাজেট বরাদ্ধ দেয়ার লক্ষ্যে ধূমপানমুক্ত করণ বিষয়ক জোটের সাথে যৌথভাবে সভার আয়োজন করা ।
- ধূমপান মুক্ত পাবলিক পরিবহন ও পাবলিক পেস্নস নিশ্চিত করার জন্য ধূমপানমুক্ত করণ বিষয়ক জোটের সাথে যৌথভাবে সংশিস্নষ্ট সরকারী বিভাগ/কর্মকর্তাদের সাথে বিভাগীয় সংলাপ করা।
- বিভিন্ন স্টেইকহোল্ডার যেমন- টাস্ক ফোর্স, বিভিনা সমিতি বা এসোসিয়েসন, পাবলিক পেস্নস কর্তৃপক্ষ, রেস্টুরেন্ট, শিক্ষা বিভাগ এবং স্বাস্থ্য বিভাগের সাথে সভা করা।
- ধূমপানমুক্ত করণ বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরীর লক্ষ্যে সাংস্কৃতিক প্রচারণা যেমন- পথ নাটক, লোকজ সংগীত ইত্যাদি ।
- ধূমপানমুক্ত গাইডলাইন বাসত্মবায়নের উত্তম পন্থা সকলের সাথে শেয়ার করার জন্য ধূমপান মুক্ত সাময়িকী প্রকাশ করা।
- বিশ্ব তামাক মুক্ত দিবস উদযাপন করা।
মূল অর্জন সমুহ [জুলাই ২০১৩ হতে জুন ২০১৪ পর্যন্ত:
- ১১ টি স্থানীয় সরকার এলাকায় বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে ১১টি স্বেচ্ছাসেবক ধূমপানমুক্তকরণ বিষয়ক কোয়ালিশন গঠিত হয়েছে। যারা ধূমপানমুক্ত স্থানীয় সরকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ্যাডভোকেসির কাজ করছে।
- ১১ টি স্থানীয় সরকার এর মেয়র মহোদয়গণ তাদের নিজ নিজ স্থানীয় সরকার এর জন্য ধূমপানমুক্তকরণীয় দিকনির্দেশনা বাসত্মবায়নে উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন
- স্থানীয় সরকারসমূহ এর আওতাধীন অফিস ভবন, ওয়ার্ড অফিসসমূহ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ, স্বাস্থ্য কেন্দ্রসমুহসহ বিভিন্ন পাবলিক পরিবহন ও পাবলিক পেসকে ধারাবাহিকভাবে ধূমপানমুক্ত করা হচ্ছে
- তামাকের ক্ষতি সম্পর্কে জনগন এর মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে।
- তামাক নিয়ন্ত্রন আইনে ধূমপান এলাকা না রাখা এবং সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংসদে পাশের জন্য সরকারের উপর চাপ সৃষ্টির লক্ষ্যে্রচট্রগ্রাম বিভাগের ১১টি জেলার ১৪ জন সংসদ সদস্যদের সাথে লবিং করা হয় এবং জাতীয় সংসদে সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন পাশ হয়।
- সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রন আইনের বিধিমালা তৈরীর ক্ষেত্রে ইপসা একটি খসড়া সুপারিশমালা তৈরী করেছে এবং তা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রনালয়/এনটিসিসিকে হসত্মামত্মর করা হয়েছে এবং উক্ত সুপারিশমালা হতে কতিপয় সুপারিশমালা খসড়া তামাক নিয়ন্ত্রন আইনের বিধিমালায় সন্নিবেশিত করা হয়েছে।
- ইপসার ধারাবাহিক এ্যাডভোকেসির ফলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহকে ধূমপাসমুক্ত রাখতে চট্রগ্রাম, কুমিলস্না এবং কক্সবাজার জেলার শিক্ষা অফিস কর্তৃক বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে যার ফলে সর্বমোট ৫১৬৩টি প্রাথমিক, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসা এবং কলেজ ধূমপানমুক্ত হয়েছে ।
- সারাদেশে ধূমপানমুক্ত গাউড লাইন এর প্রতিরূপ তৈরীর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরার লক্ষ্যে মিউনিসিপালিটি এসোসিয়েসন অব বাংলাদেশ (এমএবি) এর সাথে সভা আয়োহন করা হয় ফলে এমএবির সাথে একটি ভাল নেটওয়ার্ক তৈরি করা সম্ভব হয়েছে এবং তারা স্থানীয় সরকারের জন্য ধূমপানমুক্ত গাউড লাইনএর প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করতে পেরেছেন।
- সকল স্থানীয় সরকারসমূহকে ধূমপানমুক্ত করার লক্ষ্যে ইপসা মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয় এর মাননীয় মন্ত্রী এবং এমএবি এর উপদেষ্টা জনাব আলহাজ্ব আ.ক.ম মোজাম্মেল হক কে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
- সারাদেশে ধূমপানমুক্ত গাউড লাইন এর প্রতিরূপ তৈরির লক্ষ্যে সারা বাংলাদেশের বিভিন্ন বিভাগে ধূমপানমুক্ত বিষয়ে কর্মরত ০৬ টি বিআই গ্র্যান্টিদের কর্মীদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। যার মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন জেলায় বিআই গ্র্যান্টি কর্তৃক ইপসার ধূমপানমুক্ত গাইডলাইন অনুসরণে অন্যান্য স্থানীয় সরকারের জন্য অনুরূপ গাইডলাইন তৈরি করা হয়েছে।
- ইপসার এ্যাডভোকেসির মাধ্যমে চট্রগ্রাম বিভাগের ১১টি জেলায় জেলা প্রশাসক কর্তৃক তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাসত্মবায়নে বিভিন্ন সময়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়েছে এবং মাসিক মোবাইল কোর্ট কার্যক্রমে বিষয়টিকে গুরম্নত্বের সাথে অর্মত্মভূক্ত করা হয়েছে।
- ১১টি জেলায় ১১টি স্থানীয় সরকার কর্তৃক ধূমপানমুক্ত গাইডলাইন এবং তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাসত্মবায়নে আসন্ন অর্থ বছর ২০১৪ – ২০১৫ এর বাজেটে বরাদ্দ রাখা হয়েছে। যেমন – চটগ্রাম সিটি কর্পোরেশন – ৩,৪৭,০০০/- টাকা, কুমিলস্না সিটি কর্পোরেশন – ১,০০,০০০/- টাকা, চাঁদপুর পৌরসভা – ১,০০,০০০/ টাকা, ফেনী পৌরসভা – ৫,০০,০০০/- টাকা, কক্সবাজার পৌরসভা – ৫০,০০০/- টাকা, বান্দরবান পৌরসভা – ৫০,০০০/- টাকা, রাঙ্গামাটি পৌরসভা – ২০,০০০/- টাকা, এছাড়া খাগড়াছড়ি পৌরসভা, ব্রাম্মণবাড়িয়া পৌরসভা, নোয়াখালি পৌরসভা ও লক্ষীপুর পৌরসভায় অনুরূপ বরাদ্দ রাখা হবে বলে মেয়রগণ প্রতিশ্রম্নতি দিয়েছেন।
- জাতীয় পর্যায়ে ইপসার কার্যক্রম এবং অভিজ্ঞতাসমূহ বিনিময় করা হয়েছে। এবং ইপসার স্থানীয় এবং জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সুশীল সমাজ, মিডিয়া এবং তামাক নিয়ন্ত্রণে কর্মরত বিভিন্ন সংগঠনসমূহ এবং ব্যক্তিদের সাথে নেটওয়ার্ক জোরদার হয়েছে।